হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট পেতে কত দিন লাগে

হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট পেতে কত দিন লাগে। হাঙ্গারি হল একটি ইউরোপের সেনজেনভুক্ত দেশ, সেনজেনভুক্ত আর আন-স্যানজেনভুক্ত এটা আলাদা। আপনি যদি সেনজেন ভুক্ত দেশে যান সে ক্ষেত্রে

হাঙ্গেরি-ওয়ার্ক-পারমিট-পেতে-কত-দিন-লাগেআপনার বেতনটা বেশি হবে। আর যদি আন সেনজেনভুক্ত দেশে না যান সেক্ষেত্রের বেতন কম। এই আর্টিকেলে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার পাওয়ার সময় এর বেতন যেতে কত দিন লাগে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

পোস্ট সূচিপত্রঃহাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট পেতে কত দিন লাগে

হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট পেতে কত দিন লাগে

হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট পেতে কত দিন লাগে। ইউরোপের সেনজেনভুক্ত দেশ হলো হাঙ্গেরি। এদেশে গুণগত মান অনেক উন্নত। অনেক ছেলে মেয়ের স্বপ্ন থাকে ইউরোপ সেনজেনভুক্ত দেশে লাইভ সেটেল করবে। শুধু শুধু ছেলে মেয়েরা না অনেক প্রাপ্তবয়স্ক লোকেরাও ইউরোপের মত দেশে চাকরি করতে চায় বিশেষ করে বাংলাদেশের লোকজন বেশি।

আবার অনেকেই ইউরোপের সেনজেন ভুক্ত দেশ হাঙ্গেরিতে পড়ালেখা করার জন্য যায়। হাঙ্গেরি work permit পেতে কতদিন লাগে। এটা নির্ভর করবে আপনার কাজের উপর আপনার মালিকের উপর। আপনার কাগজপত্র হিসেবে আপনার অর পারমিট পাওয়ার চান্স থাকবে বেশি।

প্রথমে আপনাকে এপ্লাই করতে হবে আপনি যদি এপ্রুভাল পান সে ক্ষেত্রে আপনি ওয়ার পারমিটের জন্য প্রস্তুত। আপনার যদি সম্পূর্ণ ঠিক থাকে আপনি তাদের কাছে নির্বাচিত হবেন। মূলত এপ্লাই করার কতদিন পরে ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া যায়। যেহেতু সেনজেন ভুক্ত দেশ সেক্ষেত্রের সময়টা একটু বেশি লাগে আপনার কাগজপত্র ঠিক থাকলে ১৫ থেকে ৪৫ দিন এর ভিতরে বের হবে।

হাঙ্গেরিতে ভিসা পারমিট পাওয়ার যোগ্যতা কি

হাঙ্গেরিতে ভিসা পারমিট পাওয়ার যোগ্যতা কি? মূলত আপনি যদি ইউরোপ আমেরিকা এসব দেশে যান আপনার কাজের ক্যাটাগরী হিসেবে নির্ভর করবে আপনার যোগ্যতা। বিষয়টা একটু ভেঙে বলি ধরেন আপনি ইউরোপের দেশ ইতালিতে কিংবা হাঙ্গেরিতে কৃষি কাজের জন্য যাবেন। সেক্ষেত্রে আপনার যোগ্যতা কেমন থাকা লাগবে।

সেক্ষেত্রে যদি আপনার যোগ্যতা সর্বনিম্ন জি এস সি সার্টিফিকেট থাকে আপনি ভাঙ্গেরিতে কৃষি ভিসার জন্য সম্পূর্ণ পারফেক্ট। এছাড়াও আরো রয়েছে যদি আপনি দোকান রেস্টুরেন্ট এগুলোতে যান সর্বনিম্ন এসএসসি পাস থাকলেই হবে। আর যদি আপনি বিভিন্ন কোম্পানিতে অফিসিয়াল জব করার জন্য যান সে ক্ষেত্রে আপনার সার্টিফিকেট বাংলাদেশের যোগ্যতা অনুযায়ী লাগবে।

এবার পড়ালেখা আপনি যদি হাঙ্গেরিতে স্টুডেন্ট ভিসায় পড়ালেখা করার জন্য যান সে ক্ষেত্রে আপনার পড়ালেখার ক্যাটাগরি অনুযায়ী আপনার সার্টিফিকেটের যোগ্যতা লাগবে। ধরেন আপনি গ্রাজুয়েশন করার জন্য হাংরিতে যাবেন সেক্ষেত্রে আপনার যোগ্যতা লাগবে hsc পাশের সার্টিফিকেট। আর যদি আপনি ডক্টরেট করতে যান আপনার যোগ্যতা লাগবে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট ।

বাংলাদেশ থেকে হাঙ্গেরিতে যাওয়ার সেরা উপায় 

বাংলাদেশ থেকে হাঙ্গেরিতে যাওয়ার সেরা উপায়। ইউরোপের সেনজেনভুক্ত দেশ  হাঙ্গেরি যেখানে জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত। আপনি যদি সেখানে গিয়ে ভালো পজিশনে চাকরি করতে যান বাংলাদেশ থেকে যেতে চান আজকের এই উপায়টি আপনার জন্য সেরা উপায় হবে। কিভাবে আপনি বাংলাদেশ থেকে হাঙ্গেরিতে যেতে পারবেন।

প্রথমে আপনাকে আপনার কাগজপত্র সমূহ রেডি করতে হবে। কিন্তু সাবধান দালালের পাল্লায় পড়া যাবে না। আপনার কাগজপত্র সম্পূর্ণ ঠিক থাকলে আপনাকে লক্ষ্য নিয়ে থাকতে হবে সে দেশ থেকে সে দেশে সরকার কখন লোক নেওয়ার জন্য সার্কুলার ছাড়ে। আর অবশ্যই এক্ষেত্রে হাঙ্গেরিতে আপনার পরিচিত একজন থাকা লাগবে। যদি থাকে তাহলে আপনার ভয়টা কম হবে।

হাঙ্গেরি-ওয়ার্ক-পারমিট-পেতে-কত-দিন-লাগেভয় বলতে বোঝাচ্ছি আপনার যদি পরিচিত কেউ থাকে তাহলে সেই আপনার সম্পূর্ণ কাজ করে দিতে পারবে। আপনি আস্থা পাবেন যেহেতু নিজের লোক। আর যদি আপনি এজেন্সি কিংবা দালাল ধরতে চান সেক্ষেত্রে আপনার রিক্স থাকবে টাকা মার যাওয়ার। যদি এজেন্সি ধরেন ভালো হয়ে যাচ্ছে ধরার চেষ্টা করবেন। অনেকেই আছে এজেন্সির মাধ্যমেও ইউরোপে যায়।

আপনি যদি নিজে যেতে চান তাহলে আপনার সার্কুলার অনুযায়ী সম্পূর্ণ কাগজপত্র দিয়ে অনলাইনে আবেদন করবেন হাঙ্গেরিতে। সেখানে কাজও ধরম থাকবে আপনি যে কাজ চয়েস করবেন সে কাজ অনুযায়ী এপ্লাই এ বসাবেন। তারপর আপনাকে ওয়েট করতে হবে আপনার অ্যাপ্লাই ফর্ম যদি approval হয় সেক্ষেত্রে আপনাকে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

এক্ষেত্রে এপ্লাই করার সময় আপনার কিছু ডলার ইউরো খরচ হবে। সেগুলো আপনাকে পে করতে হবে, আপনার ওয়ার্ক পারমিট যদি আসে আপনার ফোনের জিমেইলে জিমেইল করে দিবে আপনি দেখতে পাবেন। তারপরে সে পারমিট কপি নিয়ে আপনি ভিসার জন্য তাদের দূতাবাসে অর্থাৎ এম্বাসিতে যাবেন। ভিসার জন্য আবেদন করবেন তারপরে ভিসা আসলে আপনি ফ্লাইট করে যেতে পারবেন।

হাঙ্গেরি দূতাবাস বা এম্বাসি সেন্টার কোথায়

হাঙ্গেরি দূতাবাস বা এম্বাসি সেন্টার কোথায়। দূতাবাস বা এম্বাসি বলতে বুঝাচ্ছে যেখানে আপনি ভিসার জন্য আবেদন করবেন। এটা বর্তমানে এখন বাংলাদেশে রয়েছে এর আগে বাংলাদেশে ছিল না। তবে এটিও সঠিক বাংলাদেশ হাঙ্গেরির কোন নির্দিষ্ট দূতাবাস নেই। তবে ঢাকায় একটি কুনসুলেট অফিস রয়েছে। যেখানে আপনি হাঙ্গেরি যাওয়ার জন্য প্রসেসিং অর্থাৎ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ঠিকানা হলোঃ কনকাট আই কে টাওয়ার, প্লট নং২, নট এভিনিউ মাদানী এভিনিউ ইউনিট ষষ্ঠ তলা। উত্তর-পূর্ব দিক, গুলশান ২, ঢাকা,১২১২, বাংলাদেশ। হাঙ্গেরির ভিসা আবেদন কেন্দ্র হল বি এল এস সলিউশন প্রা, ায় লিমিটেড দ্বিতীয় তলা। রোড নাম্বার হ.০৪ বনানী ঢাকা ১২১৩

সে অফিসের সময়সূচী হল রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার। মূলত এই টাইমে অফিস খোলা থাকে বিকেল তিনটা থেকে চারটা জাতীয় ছুটির দিন ব্যথিত। আবেদন জমা করবেন সকাল ৯ টা থেকে দুপুর তিনটা পর্যন্ত সময়। স্থায়ী না বাংলাদেশে হাঙরের দূতাবাস স্থায়ী দূতাবাস নয়। তবে মূলত এই ঠিকানায় আপনারা হাঙ্গেরি যাওয়ার সম্পূর্ণ প্রসেসিং করতে পারবেন।

হাঙ্গেরির ওয়ার্ক পারমিট ভিসার খরচ কত

হাঙ্গেরির ওয়ার্ক পারমিট ভিসার খরচ কত? সম্প্রতিক হাঙ্গেরির এক প্রফেশনাল নিউজ থেকে পাওয়া তথ্য পাওয়া গেছে আপনি যদি সরকারিভাবে যান সে ক্ষেত্রে খরচ পড়বে প্রায় ৩০০ ইউরো। তবে মূলত এটি বেশি পড়ে কিভাবে পড়ে সেটি জানতে ভালোভাবে আর্টিকেলটি পড়ুন।

আপনি যদি হাঙ্গেরিতে যেতে চান তাহলে আপনার খরচটা যেরকম পড়বে। আপনি এপ্লাই করবেন আপনার এপ্লাই খরচ বাংলাদেশি টাকায় মিনিমাম ৩০০০০ টাকার মতো পড়বে। আপনি যদি এজেন্সির মাধ্যম দিয়ে করেন সেক্ষেত্রে আমি যদি সংক্ষেপে বলি তাহলে আপনার মোট খরচ লাগতে পারে প্রায় 10 থেকে 12 লক্ষ টাকা।

মূলত আমার এক আত্মীয় এজেন্সি চালায় তার কাছ থেকে নেওয়া তথ্যে। পাওয়া গেছে মোট 10 থেকে 12 লক্ষ টাকা লাগবে। আপনি যদি ওর পারমিট অর্থাৎ কাজের ভিসায় যেতে চান। আর যদি আপনি স্টুডেন্ট ভিসায় অর্থাৎ পড়ালেখা করার জন্য যান সে ক্ষেত্রে খরচটা অন্যরকম পড়বে। এই হল হাঙ্গেরি যাওয়ার ভিসার খরচ সমূহ।

হাঙ্গেরির সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন বেতন কত

হাঙ্গেরির সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন বেতন কত। কিছুক্ষণ আগেই আমরা জেনেছি হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট পেতে কত দিন লাগে। আমরা এখন জানবো হাঙ্গেরির সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন বেতন কত? মূলত বেতনটা নির্ভর করবে আপনার কাজের ক্যাটাগরির উপর। উদাহরণস্বরূপ যদি আপনাকে বলা হয় ধরেন আপনি একটা দোকানে কাজ করেন সেক্ষেত্রে আপনার বেতন হবে আলাদা।

আপনি কি দোকানে কাজ করেন আপনি বাংলা ঢাকায় মান্থলি প্রায় এক লাখ থেকে ২ লাখ টাকার মত ইনকাম করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি যদি কোন রেস্টুরেন্টে জব করেন। সে ক্ষেত্রে অনেক বেতন বিভিন্ন প্রকারের টিপস পাওয়া যায় উপহার পাওয়া যায়। এছাড়াও রেস্টুরেন্টের সেলারি তো আছেই সব মিলিয়ে প্রায় একজন ওয়েটারের বেতন দুই লাখ থেকে আড়াই লাখ টাকার মত।

আপনি যদি রেস্টুরেন্টে শেপের কাজ করেন তাহলে আপনার বেতন প্রায় তিন লাখ টাকার মত হবে। কারণ যারা রান্না করে তাদের বেতন সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও আপনি ড্রাইভিং করতে পারেন কারণ ড্রাইভিং এ ভালো বেতন। সব মিলিয়ে সর্বনিম্ন বেতন যদি ধরা হয়। আপনি যদি কাজ পান সর্বনিম্ন বেতন আপনার হবে এক লাখ টাকা।

আর সর্বোচ্চ বেতনের কোন সীমা নেই। আপনি ব্যবসা করতেছেন ব্যবসার কি বেতন দিয়ে তুলনা করা হয়। একটা বিজনেসম্যান মাসে এক কোটি টাকা ইনকাম করে। তবে যেহেতু সেনজেন ভুক্ত দেশ। সেতু সে দেশে আপনি যদি যান সে ক্ষেত্রে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আমরা ইউরোপ আমেরিকা বলতেই বুঝি টাকার মেশিনের দেশ।

হাঙ্গেরি যেতে কি কি কাগজপত্র লাগে

হাঙ্গেরি যেতে কি কি কাগজপত্র লাগে। হাঙ্গেরি যেতে মূলত বেশ কয়েকটি কাগজপত্র লাগে। অনেক ডকুমেন্ট লাগে। শুধু হাঙ্গারি না ইউরোপের সেনজেন ভুক্ত দেশগুলোতে আপনি যদি যেতে চান তাহলে আপনার এই কাগজপত্রগুলো লাগবে। সেটা হতে পারে টুরিস্ট ভিসায় সেটা হতে পারে স্টুডেন্ট ভিসায়। আবার সেটা হতে পারে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কি কি কাগজপত্র লাগে তা হলোঃ

টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার কাগজপত্র সমূহঃ

  • ভোটার আইডি ফটোকপি
  • পাসপোর্ট
  • নাগরিকত্ব
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • বাড়ি ভাড়া কপি
  • ভিসা
  • ছবি
  • বাবা-মা ভোটার আইডি কার্ড ফটোকপি
মূলত এই কয়েকটা কাগজপত্র যদি আপনি ম্যানেজ করে রাখতে পারেন। তাহলে আপনার জন্য টুরিস্ট ভিসায় হাংরিতে যাওয়া খুব সহজ হয়ে যাবে। এবার আসি ওয়ার্ক পারমিট ভিসার কাগজপত্র সমূহ ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় কি কি কাগজপত্র লাগে।
  • পাসপোর্ট
  • ভোটার আইডি কার্ড ফটোকপি
  • নাগরিকত্ব
  • ভিসা আবেদন ফরম
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি
  • ওয়ার্ক পারমিট ডকুমেন্ট
  • আবাসন প্রমাণপত্র
  • স্বাস্থ্য বীমা
  • ভিসা ফি
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
স্টুডেন্ট ভিসার কাগজপত্র সমূহঃ

  • ভিসা আবেদন ফরম
  • পাসপোর্ট
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি
  • এডমিশন লেটার
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • স্বাস্থ্য বীমা
  • একাডেমিক সার্টিফিকেট
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
  • ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রমাণ

কাগজপত্র গুলো সঠিকভাবে অনুবাদ করতে হবে। আপনার ক্ষেত্রে আরো নির্দিষ্ট তত্ত্বের জন্য হাংরিতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা অ্যাম্বাসির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। মূলত হাঙ্গেরিতে ওয়ার্ক পারমিট স্টুডেন্ট ভিসা ও টুরিস্ট ভিসার জন্য এ কাগজপত্র গুলো লাগে।

হাঙ্গেরিতে টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার উপায়

হাঙ্গেরিতে টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার উপায়। টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার জন্য আপনাকে প্রথমে যে ডকুমেন্টস অর্থাৎ কাগজপত্রের মধ্যে একটি কাগজপত্র সংগ্রহ করা লাগবে সেটা হল বৈধ পাসপোর্ট। এটার মেথ সর্বনিম্ন ছয় মাস হতে হবে। এর পরে লাগবে আপনার ছবি মূলত হাঙ্গেরিতে টুরিস্ট ভিসা যাওয়ার জন্য যে সমস্ত কাগজপত্র গুলো প্রয়োজন সেগুলো উপরে দেওয়া আছে।

কাগজপত্র গুলো আপনার সংগ্রহ করে রাখা লাগবে। মূলত যেহেতু ইউরোপের সেনজেন ভুক্ত দেশ সেখানে যেতে হলে আপনাকে সর্বনিম্ন হলেও ছোট একটি দেশ ভ্রমণ থাকতে হয়। তাহলে সেই দেশে যাওয়ার জন্য ভিসার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যায়। যদি একটি দেশ ভ্রমণ থাকে তাহলে আপনার ভিসা পেতে বেশি সময় লাগবে না।

হাঙ্গেরি-ওয়ার্ক-পারমিট-পেতে-কত-দিন-লাগেআপনি ভিসার জন্য আবেদন করবেন তার আগে আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর একটা কপি আপনাকে দেখানো লাগবে। যে সমস্ত কাগজপত্র গুলো প্রয়োজন সেগুলো নিয়ে আপনি এম্বাসিতে যাবেন ভিসার জন্য। তারপরে ভিসার জন্য আবেদন করবেন ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিবেন। এক্ষেত্রে যদি আপনি একাই যান তাহলে একাই আর যদি আপনার সঙ্গে কেউ যায় তার ও কাগজপত্র লাগবে।

আপনি ভিসার জন্য আবেদন করলেন। সেক্ষেত্রে আপনার ফোন নাম্বার কিংবা যদি জিমেইল থাকে সেটা নিবে। আপনার ভিসা প্রস্তুত হয়ে গেলে আপনার ফোনে একটি এসএমএস যাবে। সেই এসএমএসের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনার ভিসা রেডি।তারপরে ভিসা হাতে পাওয়ার পর আপনি টিকিট করবেন তারপরে ঘুরতে যাবেন আপনার স্বপ্নের দেশ হাঙ্গেরীতে।

হাঙ্গেরিতে স্টুডেন্ট ভিসায় যাওয়ার উপায়

হাঙ্গেরিতে স্টুডেন্ট ভিসায় যাওয়ার উপায়। ইউরোপের সেজন মুক্ত দেশ হলো হাঙ্গেরি। মূলত স্টুডেন্ট ভিসায় এদেশে ছাত্ররা খুব কমই যায়। অনেকেই ইতালি অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ড আমেরিকা এগুলো দেশে স্টুডেন্ট ভিসায় পড়ালেখা করার জন্য যায়। আবার অনেকেই এই হাঙ্গেরিতে স্টুডেন্ট ভিসায় যায়। বিশেষ করে সেই দেশে সেটেল হয়ে যাওয়ার জন্য।

প্রায় ১০০ ভাগের ভিতর ৭৫ ভাগ মানুষই পড়ালেখা করার জন্য যাই তবে সেখানে সেটেল হওয়ার জন্য ম্যাক্সিমাম ছেলে মেয়ের স্বপ্ন থাকে। স্টুডেন্ট ভিসায় যদি আপনি যান তাহলে আপনার যাওয়াটা খুব সহজ হয়। শুধু যোগ্যতা সার্টিফিকেট থাকলে আপনি যেতে পারবেন। এমনকি কম সময় লাগে। স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে যে সমস্ত কাগজপত্র গুলো লাগে তা উপরে লিস্ট করে দেওয়া আছে।

আপনি স্টুডেন্ট ভিসায় কিভাবে শুরু করবেন যাওয়ার জন্য। প্রথমে আপনাকে তিনটি জিনিস সংগ্রহ করতে হবে এক হলো একটি বৈধ পাসপোর্ট ৬ মাসের মেয়াদ থাকতে হবে। তারপরে আপনার ভাষার প্রমাণ। অর্থাৎইংরেজি ভাষার সার্টিফিকেট। এরপরে লাগবে আপনার যোগ্যতা সর্বনিম্ন এইচএসসি পাস। এগুলো থাকলে আপনি এপ্লাই করতে পারবেন।

এর বাইরে অনেক কাগজপত্র লাগে সেগুলো ম্যানেজ করবেন। তারপর আপনি হাঙ্গেরির একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে এপলাই করবেন। আপনি যদি সেখানে সিলেক্ট হন। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেট ফটোকপি আপনার কাছে পাঠাবে মেইলের মাধ্যমে। এটি আপনি আর আপনার যে সমস্ত কাগজপত্র হাঙ্গেরির দূতাবাস অর্থাৎ এম্বাসিতে যাবেন বাংলাদেশ।

তারপরে আপনি অ্যাপ্লাই করবেন ভিসার জন্য। মূলত ভিসা আসতে বেশি সময় লাগে না আপনার ভিসা আসলে তবে আপনি যেতে পারবেন। অনেকেরই স্বপ্ন থাকে স্টুডেন্ট ভিসায় ইউরোপ কিংবা আমেরিকার যে কোন দেশে পড়ালেখা করবে সেখানে সেটেল হবে। আপনার যদি স্বপ্ন থাকে আপনিও যেতে পারবেন স্বপ্নের দেশ হাঙ্গেরিতে।

হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট পেতে কত দিন লাগে এ নিয়ে শেষ কথা

হাঙ্গেরি ওয়ার্ক পারমিট পেতে কত দিন লাগে এ নিয়ে শেষ কথা। হাঙ্গেরি হল ইউরোপের একটি সেনজেনভুক্ত দেশ। অনেকের স্বপ্ন থাকে এই ইউরোপের সেজন মুক্ত দেশগুলোতে জব করবে চাকরি করবে। কেউ হয়তো টাকার জন্য আবার কেউ হয়তো ভালো একটি পরামর্শ না পেয়ে দালালের খপ্পরে পড়ে অনেক টাকা মার যায়।

আজকেরে আর্টিকেলটি আপনাকে হাঙ্গেরি যাওয়ার বিষয়ে সম্পূর্ণ হেল্প করবে। আপনিও চাইলে আপনার স্বপ্নের দেশ ইউরোপের যে কোন একটি দেশে যেতে পারবেন। এই আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হলে অবশ্যই অন্যদের মাঝে শেয়ার করবেন। ভালো থাকবেন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সপ্নসেবা ব্লগার পেজের নিতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয় ।

comment url